ক্লিনিক্যাল অবনতি ও আত্মহত্যার ঝুঁকি: অ্যান্টিডিপ্রেস্যান্ট দিয়ে চিকিৎসার পুরো সময় জুড়ে রোগীকে কঠোর নজরদারীতে রাখতে হবে। বিশেষ করে ড্রাগ থেরাপির প্রথম কয়েক মাসের মধ্যে বা ডোজ পরিবর্তনের সময় ক্লিনিক্যাল অবনতি, আত্মহত্যার প্রবনতা বা অস্বাভাবিক আচরনের জন্য রোগীকে ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষন করতে হবে। সেরোটোনিন সিন্ড্রোম: ভরটিওক্সেটিন এককভাবে বা অন্যান্য সেরোটোনার্জিক ঔষধ (ট্রিপটান, ট্রাইসাইক্লিক অ্যান্টিডিপ্রেস্যান্ট, মরফিন, লিথিয়াম, ট্রামাডল, ট্রিপটোফান, বুসপাইরোন এবং সেন্ট জনস ওয়ার্ট) এবং যেসকল ঔষধ সেরোটোনিন বিপাককে বাধা দেয় (বিশেষ করে, মনোঅ্যামাইন অক্সিডেস ইনহিবিটর, মানসিক রোগের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত অন্যান্য ঔষধ যেমন লিনেজোলিড এবং ইনট্রামাসকুলার মিথিলিন ব্লু) এর সাথে ভর্টিওক্সেটিন ব্যবহার প্রাণঘাতী সেরোটোনিন সিন্ড্রোমের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।অস্বাভাবিক রক্তপাত: ভরটিওক্সেটিন সহ যেসকল ঔষধ সেরোটোনিন এর পুনঃশোষনকে বাধাগ্রস্থ করে তারা রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই অ্যাসপিরিন, ওয়ারফারিন, নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগ সহ অন্যান্য অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্টের সাথে ভর্টিওক্সেটিন এর ব্যবহার অস্বাভাবিক রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।ম্যানিয়া/হাইপোম্যানিয়ার সক্রিয়করণ: যেসকল রোগীদের বাইপোলার ডিসঅর্ডার, ম্যানিয়া, হাইপোম্যানিয়ার ইতিহাস বা পারিবারিক ইতিহাস রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে অন্যান্য অ্যান্টিডিপ্রেস্যান্ট এর মত ভরটিওক্সেটিন ব্যবহারেও সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।ক্লোজ অ্যাঙ্গেল গ্লুকোমা: ভরটিওক্সেটিন সহ অন্যান্য অ্যান্টিডিপ্রেস্যান্ট ব্যবহার করলে পিউপিল প্রসারনের এর ফলে ক্লোজ অ্যাঙ্গেল গুকোমার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। হাইপোন্যাট্রেমিয়া: সেরোটোনার্জিক ঔষধ ব্যবহারের ফলে হাইপোন্যাট্রেমিয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।