শুধুমাত্র বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য। এই ক্রিম চোখে ব্যবহার কিংবা মুখে সেবনের জন্য নয়। যদি কোন প্রতিক্রিয়া থেকে বোঝা যায় যে, অতিসংবেদনশীলতা বা রাসায়নিক প্রদাহ হবে তাহলে ওষুধের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। ত্বকে কর্টিকোস্টেরয়েড ব্যবহার করলে তা পর্যাপ্ত শোষিত হয়ে পুরো শরীরে প্রভাব ফেলতে পারে, যেমন এড্রিনাল সাপ্রেশন। রক্তে শোষনের পরিমাণ বিভিন্ন কারণে বেড়ে যেতে পারে, যেমন ত্বকের অধিক জায়গা জুড়ে ব্যবহার করলে,ক্ষতযুক্ত ত্বকে ব্যান্ডেজ দিয়ে আবৃত করে ব্যবহার করলে এবং দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহার করলে। ত্বকে ব্যবহৃত কর্টিকোস্টেরয়েড ত্বক পাতলা এবং ক্ষয় হওয়া, ত্বকে রেখা তৈরি হওয়া, কৈশিকনালির প্রসারণ এবং ত্বকে রক্তবর্ণের দাগ তৈরির সাথে সম্পর্কিত। ত্বকে ব্যবহৃত কর্টিকোস্টেরয়েড অতিমাত্রায় সংক্রমণ বা সুযোগ সন্ধানী জীবানুর সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। শিশু: শিশুদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে অধিক সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায়, শিশুর ত্বকের প্রকৃতি এবং শরীরের ওজনের তুলনায় বৃহত্তর ত্বকের পৃষ্ঠের কারণে শিশুটির ত্বকের মাধ্যমে কর্টিকোস্টেরয়েডের বর্ধিত শোষণ হতে পারে। এই ক্রিম শিশুদের সল্প সময়ের জন্য (২ সপ্তাহের কম) এবং ত্বকের ছোট অংশে (শরীর পৃষ্ঠের ১০% এর কম) ব্যবহার করা উচিৎ।কর্টিকোস্টেরয়েডের সিস্টেমিক এবং ট্রপিক্যাল ব্যবহারে দর্শনে ব্যাঘাতের সৃষ্টি হতে পারে। যদি রোগীর অস্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি বা দৃষ্টির ব্যাঘাতের অন্যান্য উপসর্গগুলি দেখা যায়, তাহলে সম্ভাব্য কারণ যার মধ্যে ক্যাটার্যাক্ট, গ্লুকোমা অথবা সেন্ট্রাল সেরাস কোরিওরেটিনোপ্যাথির মত দুরারোগ্য ব্যাধি থাকতে পারে তা নিরীক্ষণের জন্য অপথালমোলজিস্টের কাছে রেফার করা যেতে পারে। এই ক্রিম আবৃত অবস্থায় (ব্যান্ডেজ, ইত্যাদি) ব্যবহার করা যাবে না। ত্বকের পরিবর্তন এড়ানোর জন্য এই ক্রিম সতর্কতার সাথে মুখে ব্যবহার করতে হবে।